০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

আজ আন্দোলনরত শিক্ষকদের কালো পতাকা মিছিল

  • আপডেট: ১১:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৩

ছবি: সংগৃহীত

দাবি আদায়ে টানা ৭ দিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে আন্দোলনের অংশ হিসেবে কালো পতাকা মিছিল করবে তারা। শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের নেতারা জানিয়েছেন, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শহীদ মিনার ছাড়বেন না।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, গত ১০ অক্টোবর রাত থেকে শুরু হওয়া এই অবস্থান কর্মসূচি এখন অনশনে রূপ নিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের চার লাখ সদস্য আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর ভিপিসহ অসংখ্য মানুষ এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। আমরা প্রতিজ্ঞা করেছি, ন্যায্য দাবি আদায় না করে শহীদ মিনার ত্যাগ করব না।

তিনি বলেন, গতকাল থেকেই আমরা অনশন কর্মসূচি শুরু করেছি শিক্ষা উপদেষ্টার ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ ও বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন বিলম্বে ক্ষোভ জানিয়ে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

দেলাওয়ার আজিজী জানান, আজ দুপুর ১২টায় কালো পতাকা মিছিলের আয়োজন করা হবে, যেখানে শিক্ষক-কর্মচারীরা রাষ্ট্রের অবহেলার প্রতিবাদ জানাবেন।

তিনি বলেন, যারা আমাদের ন্যায্য অধিকারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাদের বর্জনের সময় এসেছে। বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজবে না, কোথাও ক্লাস হবে না৷ শহীদ মিনারই হবে আমাদের ঠিকানা।

এর আগে, এর আগে গত রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর সোমবার থেকে সারা দেশে পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।

তবে এরইমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বাড়ানোর কথা জানানো হলেও শিক্ষকরা এমন সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নিউজ ডেস্ক

News Desk Live24.com.bd
সর্বাধিক পঠিত

যশোরের আ,লীগের কার্যলয়সহ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আজ আন্দোলনরত শিক্ষকদের কালো পতাকা মিছিল

আপডেট: ১১:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

দাবি আদায়ে টানা ৭ দিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে আন্দোলনের অংশ হিসেবে কালো পতাকা মিছিল করবে তারা। শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের নেতারা জানিয়েছেন, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শহীদ মিনার ছাড়বেন না।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, গত ১০ অক্টোবর রাত থেকে শুরু হওয়া এই অবস্থান কর্মসূচি এখন অনশনে রূপ নিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের চার লাখ সদস্য আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর ভিপিসহ অসংখ্য মানুষ এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। আমরা প্রতিজ্ঞা করেছি, ন্যায্য দাবি আদায় না করে শহীদ মিনার ত্যাগ করব না।

তিনি বলেন, গতকাল থেকেই আমরা অনশন কর্মসূচি শুরু করেছি শিক্ষা উপদেষ্টার ‘অসৌজন্যমূলক আচরণ’ ও বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন বিলম্বে ক্ষোভ জানিয়ে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

দেলাওয়ার আজিজী জানান, আজ দুপুর ১২টায় কালো পতাকা মিছিলের আয়োজন করা হবে, যেখানে শিক্ষক-কর্মচারীরা রাষ্ট্রের অবহেলার প্রতিবাদ জানাবেন।

তিনি বলেন, যারা আমাদের ন্যায্য অধিকারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাদের বর্জনের সময় এসেছে। বিদ্যালয়ের ঘণ্টা বাজবে না, কোথাও ক্লাস হবে না৷ শহীদ মিনারই হবে আমাদের ঠিকানা।

এর আগে, এর আগে গত রোববার প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর সোমবার থেকে সারা দেশে পাঠদান বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।

তবে এরইমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বাড়ানোর কথা জানানো হলেও শিক্ষকরা এমন সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।