০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

যুদ্ধবিরতি আগামীকাল শেষ হচ্ছে, চুক্তি না হলে তবে কি আবার যুদ্ধ বাধতে পারে

  • আপডেট: ১১:৫৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০

Wrecking balls textured with American and Iranian flags over dark stormy sky. Horizontal composition with copy space and selective focus. Dispute concept.

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে। কিন্তু দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় বসা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান একটি চুক্তিতে না আসা পর্যন্ত তিনি ইরানি বন্দরের ওপর থেকে অবরোধ তুলবেন না।

এক সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া এই নৌ অবরোধ ‘ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে’ বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, এই সংঘাতে তাঁর দেশ ‘বড় ব্যবধানে জয়ী হতে যাচ্ছে’।

এমন এক সময়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করলেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হতে আর কয়েক ঘণ্টা বাকি আছে। আগামীকাল বুধবার এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হবে।

এদিকে পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

সম্ভাব্য ওই শান্তি আলোচনা ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এখনো ওয়াশিংটনেই আছেন। তাঁর মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা। আর ইরান বলেছে, তারা বৈঠকে অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি
মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি।ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন বাহিনী ২৭টি জাহাজকে ঘুরে যেতে অথবা ইরানের কোনো বন্দরে ফেরত পাঠিয়েছে।

গত রোববার ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভেদ করার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন বাহিনী জাহাজটিকে আটক করে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথম ইরানের পতাকাবাহী কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ আটকের ঘটনা।

সেন্টকম ইরানের পতাকাবাহী জাহাজটি আটক করার ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, জাহাজটিকে আগে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, পরে মার্কিন সেনারা হেলিকপ্টার থেকে জাহাজে নেমে আসে।

তেহরান এটিকে ‘জলদস্যুতা’ এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসন শুরু করার পর তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়।

গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের এক–পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প নৌ অবরোধ না তোলায় দ্রুতই সেটি আবার বন্ধ করে দেয় তেহরান।

চুক্তি না হলে আবার যুদ্ধ, ইঙ্গিত ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন সময় আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে। তবে এর মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা ‘একেবারেই ক্ষীণ’।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইছবি: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
টেলিফোনে ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এই মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা খুব একটা দেখছি না।’

চুক্তি নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া করতে রাজি নন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘একটি বাজে চুক্তিতে সই করার জন্য আমি কোনো তাড়াহুড়া করব না। আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে।’

ইরানে যুদ্ধবিমানের ক্রু নিখোঁজ হওয়ার খবরে মেজাজ হারিয়েছিলেন ট্রাম্প, চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে যুদ্ধবিমানের ক্রু নিখোঁজ হওয়ার খবরে মেজাজ হারিয়েছিলেন ট্রাম্প, চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন
যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হয়, তবে কি আবার যুদ্ধ শুরু হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি বলেন, ‘যদি চুক্তি না হয়, তবে আমি অবশ্যই তেমনটা (যুদ্ধ শুরু) মনে করছি।’

অবশ্য এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করা নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানে এর আগে বেশ কয়েকবার অসংলগ্নতা দেখা গেছে। গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা তাঁকে পাঁচবার এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তিনবার তিন ধরনের ভিন্ন ভিন্ন উত্তর দিয়েছিলেন। তবে বুধবারের সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় তাঁর সর্বশেষ বক্তব্যে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার পরিকল্পনা নেই ইরানের

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই গতকাল সোমবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়ে তেহরানের কোনো পরিকল্পনা নেই।

বাঘাই বলেন, ‘এ মুহূর্তে…পরবর্তী দফা আলোচনার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই এবং এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি নতুন করে আগ্রাসন শুরু করতে চায়, তবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সে অনুযায়ী জবাব দেবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

যশোরের আ,লীগের কার্যলয়সহ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

যুদ্ধবিরতি আগামীকাল শেষ হচ্ছে, চুক্তি না হলে তবে কি আবার যুদ্ধ বাধতে পারে

আপডেট: ১১:৫৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে। কিন্তু দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় বসা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান একটি চুক্তিতে না আসা পর্যন্ত তিনি ইরানি বন্দরের ওপর থেকে অবরোধ তুলবেন না।

এক সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া এই নৌ অবরোধ ‘ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিচ্ছে’ বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, এই সংঘাতে তাঁর দেশ ‘বড় ব্যবধানে জয়ী হতে যাচ্ছে’।

এমন এক সময়ে ট্রাম্প এ মন্তব্য করলেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হতে আর কয়েক ঘণ্টা বাকি আছে। আগামীকাল বুধবার এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হবে।

এদিকে পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

সম্ভাব্য ওই শান্তি আলোচনা ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এখনো ওয়াশিংটনেই আছেন। তাঁর মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা। আর ইরান বলেছে, তারা বৈঠকে অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি
মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি।ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন বাহিনী ২৭টি জাহাজকে ঘুরে যেতে অথবা ইরানের কোনো বন্দরে ফেরত পাঠিয়েছে।

গত রোববার ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভেদ করার চেষ্টা করেছিল। মার্কিন বাহিনী জাহাজটিকে আটক করে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথম ইরানের পতাকাবাহী কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ আটকের ঘটনা।

সেন্টকম ইরানের পতাকাবাহী জাহাজটি আটক করার ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, জাহাজটিকে আগে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়, পরে মার্কিন সেনারা হেলিকপ্টার থেকে জাহাজে নেমে আসে।

তেহরান এটিকে ‘জলদস্যুতা’ এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসন শুরু করার পর তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়।

গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিশ্বের এক–পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প নৌ অবরোধ না তোলায় দ্রুতই সেটি আবার বন্ধ করে দেয় তেহরান।

চুক্তি না হলে আবার যুদ্ধ, ইঙ্গিত ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন সময় আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে। তবে এর মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা ‘একেবারেই ক্ষীণ’।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইছবি: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
টেলিফোনে ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এই মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা খুব একটা দেখছি না।’

চুক্তি নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া করতে রাজি নন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘একটি বাজে চুক্তিতে সই করার জন্য আমি কোনো তাড়াহুড়া করব না। আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে।’

ইরানে যুদ্ধবিমানের ক্রু নিখোঁজ হওয়ার খবরে মেজাজ হারিয়েছিলেন ট্রাম্প, চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে যুদ্ধবিমানের ক্রু নিখোঁজ হওয়ার খবরে মেজাজ হারিয়েছিলেন ট্রাম্প, চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন
যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হয়, তবে কি আবার যুদ্ধ শুরু হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি বলেন, ‘যদি চুক্তি না হয়, তবে আমি অবশ্যই তেমনটা (যুদ্ধ শুরু) মনে করছি।’

অবশ্য এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করা নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানে এর আগে বেশ কয়েকবার অসংলগ্নতা দেখা গেছে। গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা তাঁকে পাঁচবার এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তিনবার তিন ধরনের ভিন্ন ভিন্ন উত্তর দিয়েছিলেন। তবে বুধবারের সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় তাঁর সর্বশেষ বক্তব্যে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার পরিকল্পনা নেই ইরানের

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই গতকাল সোমবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা নিয়ে তেহরানের কোনো পরিকল্পনা নেই।

বাঘাই বলেন, ‘এ মুহূর্তে…পরবর্তী দফা আলোচনার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই এবং এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি নতুন করে আগ্রাসন শুরু করতে চায়, তবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সে অনুযায়ী জবাব দেবে।’