ঈদের চতুর্থ দিনেও রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ভিড় রয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানী ও এর আশপাশের জেলা থেকে হাজারো মানুষ চিড়িয়াখানায় আসছেন। চিড়িয়াখানার ফটকে দর্শনার্থীদের চাপ রয়েছে। বেশির ভাগই শিশুসন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।
তবে গত দুই দিনের তুলনায় আজ দর্শনার্থীর চাপ কিছুটা কম। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে আজ সরকারি অফিস খুলেছে।
চিড়িয়াখানার জিরাফের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে সাব্বির আহমেদ তিনি এর আগে গাজীপুরের সাফারি পার্ক ও জাতীয় চিড়িয়াখানায় এসেছিলেন। সাফারি পার্কে ইচ্ছেমতো ঘোরাঘুরি করা যায় না। জাতীয় চিড়িয়াখানায় ইচ্ছেমতো ঘোরাঘুরি করা যায়। সে কারণে তাঁর এখানে আসার প্রতি বেশি আগ্রহ।
তবে আলফাজ ও রমজান এবারই প্রথম জাতীয় চিড়িয়াখানায় এলেন। আলফাজ বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা এটি। তাই আজ এখানে এলেন।
সরকারি অফিস খুললেও এখনো ঈদের আমেজ রয়ে গেছে। গাজীপুরে ছোট ব্যবসা আছে জহিরুল ইসলামের। ঈদের পর তিনি এখনো ব্যবসার কাজে যুক্ত হননি। পরিবারের সদস্যদের সময় দিচ্ছেন। তিনি জানালেন, ঈদের দ্বিতীয় দিন গাজীপুরের একটি পার্কে পরিবার নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। আজ স্ত্রী–সন্তান নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন। মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীরা।
জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ছেলের আগ্রহের কারণে আজ আমরা গাজীপুর থেকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এলাম।’
জহিরুল ইসলামের ছেলে তাজরিয়ান ইসলাম (৯)। সে বলে, চিড়িয়াখানায় এসে তার ভালো লেগেছে। ইতিমধ্যে সে হরিণ, বাঘ, সিংহসহ অনেক প্রাণী দেখেছে। আরও প্রাণী দেখা বাকি আছে। সে ঘুরে ঘুরে সব দেখবে।
জাতীয় চিড়িয়াখানায় বেঙ্গল টাইগার, কালো ভালুক, হায়েনা, হাতি, জলহস্তী, ক্যাঙারু, অজগর, ঘড়িয়াল, উটপাখিসহ ১৩৭ প্রজাতির ৩ হাজার ৫২৩টি প্রাণী রয়েছে।





















