বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোল আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয় সর্বসাধারণ এবং শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে আড়াই ঘন্টা পর অবরোধ উঠে যায়।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের বেনাপোল বাজার সংলগ্ন ‘বেনাপোল-যশোর-কলকাতা মহাসড়কে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবং সর্বসাধারণের উদ্যোগে এ মানববন্ধন এবং সড়ক অবরোধ হয়।
এদিকে মানবন্ধনে অংশ নেওয়া কিছু মানুষ হাঠাৎ করেই মহাসড়ক অবরোধের নির্দেশ দেয়। এসময় শিক্ষার্রাথভ ২ ঘন্টার বেশি সময় অবরোধে যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দূর্ভোগে পড়েন পথচারীরা। বন্দর থেকে পন্য খালাশ বন্ধ হয়ে যায়।
মানবন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, অনিরাপদ বন্দর শহরে সব সময় ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। নিকটতম হাসপাতাল না থাকায় আহত মানুষেরা হাসপাতালে পৌছানোর আগে পথেই মারা যায়। যে বন্দর থেকে সরকার বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব নিচ্ছে সেখানে কেন হাসপাতাল হবে না।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া হাফিজুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ী জানান,বরনাপোল বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হলেও এখানে প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি, বন্দরে জরুরী একটি নতুন আধুনিক মানের হাসপাতাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আমাদের আন্দোলন চলবে।
বন্দর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক শহীদ আলী জানান, বেনাপোল দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো মানসম্মত আধুনিক হাসপাতাল গড়ে ওঠেনি। ফলে জরুরি চিকিৎসার অভাবে অনেক সময় রোগীদের জীবন ঝুঁকিরমুখে পড়ে। বেনাপোল বন্দরে প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক প্রতিদিন মালামাল লোড আনলোড সম্পন্ন করে থাকে। বন্দরে দূর্গটনায় গত ১০ বছরে ৪০ জন শ্রমিক প্রান হারিয়েছে। তিনি বলেন, বেনাপোল বন্দর থেকে সরকার প্রতিবিছর প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করে থাকে। ভারতের সাথে এই বন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকার বানিজ্য সম্পন্ন হয়ে থাকে। প্রদিদিন এই বন্দরে প্রায় ৫ ট্রাক আমদানি ও ৩০০ ট্রাক রপতানী সম্পন্ন হয়ে থাকে। বেনাপোল বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হলেও এখানে প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি, বন্দরে জরুরী একটি নতুন আধুনিক মানের হাসপাতাল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন আমাদের আন্দোলন চলবে।
প্রেরক: আজিজুল হক
বেনাপোল।





















